১৩ হাজার ৭০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এ ঘাঁটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেছে ভারতের বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও)। ২০২৩ সালে অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২৫ মিলিয়ন ডলার। কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটিতে ১.৭ মাইল দীর্ঘ রানওয়ে, নতুন হ্যাঙ্গার, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ার, ক্র্যাশ বে এবং আবাসিক সুবিধা তৈরি করা হয়েছে। বড় পরিবহন বিমান থেকে আধুনিক যুদ্ধবিমান—সব ধরনের অপারেশনের জন্যই এটি প্রস্তুত করা হয়েছে।
লাদাখ সীমান্তে ২০২০ সালে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্ক তীব্রভাবে অবনতি ঘটে। পরে দীর্ঘ আলোচনার পর ২০২৪ সাল থেকে সম্পর্ক কিছুটা উষ্ণ হতে শুরু করে। সেই বছরের ব্রিকস সম্মেলনের সাইডলাইনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের বৈঠকের পর সীমান্ত টহল বিষয়ে একটি চুক্তিও হয়।
সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ভারত গত জুলাইয়ে চীনা নাগরিকদের জন্য পর্যটন ভিসা পুনরায় চালু করে। এরপর আগস্টে মোদি ২০১৮ সালের পর প্রথমবারের মতো চীন সফর করেন এবং তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত এসসিও সম্মেলনে যোগ দেন। চলতি বছরের অক্টোবরে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চলাচলও আবার শুরু হয়েছে, যা কোভিড–১৯ মহামারির কারণে ২০২০ সালে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
ডেস্ক রিপোর্ট