সাক্ষাৎকারে উপস্থাপিকা নোরা ও’ডনেল ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, কেন যুক্তরাষ্ট্রকে আবার পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা চালাতে উৎসাহ দিচ্ছেন তিনি। জবাবে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের কাছে এত বেশি পারমাণবিক অস্ত্র আছে যে আমরা চাইলে পৃথিবীকে ১৫০ বার উড়িয়ে দিতে পারি।”
তিনি আরও বলেন, “আমি চাই না যে যুক্তরাষ্ট্র একমাত্র দেশ হয়ে থাকুক যারা পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় না। রাশিয়া ও চীনও গোপনে এসব পরীক্ষা করছে, যদিও তারা প্রকাশ্যে তা স্বীকার করছে না।”
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের আগে তার প্রশাসন ঘোষণা দেয় যে, প্রায় তিন দশক পর যুক্তরাষ্ট্র আবার পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে। পেন্টাগনকে ইতিমধ্যে সেই নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে মার্কিন প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে।
এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষত রাশিয়া ও চীনের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের অভিযোগকে ঘিরে নতুন এক পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এমন মন্তব্য শুধু উত্তেজনাই বাড়াবে না, বরং বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও শক্তির ভারসাম্যকেও নড়বড়ে করতে পারে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই পদক্ষেপকে সম্ভাব্য নতুন ‘নিউক্লিয়ার আর্মস রেস’ বা পারমাণবিক প্রতিযোগিতার সূচনা হিসেবে দেখছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন সিদ্ধান্ত কেবল প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রগুলোকেই নয়, বরং পুরো বিশ্বের কৌশলগত স্থিতিশীলতাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
সূত্র: সিএবিএস
ডেস্ক রিপোর্ট