হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনাওয়ারের মরদেহ পুড়িয়ে ফেলতে চায় ইসরায়েল
- আপলোড সময় : ২১-১০-২০২৫ ০৮:২২:৪৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২১-১০-২০২৫ ০৮:২২:৪৮ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৮ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
গত বছর গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে নিহত ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সাবেক প্রধান ইয়াহিয়া সিনাওয়ারের মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। দেশটির পরিবহণমন্ত্রী মিরি রেগেভ এ প্রস্তাব দিয়েছেন এবং তা বর্তমানে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা পর্যালোচনা করছেন।
ইসরায়েলি রেডিও স্টেশন কোল বারামা-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রেগেভ বলেন, “আমাদের উচিত যুক্তরাষ্ট্র যেমন আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে করেছিল, তেমনটি করা। কিছু প্রতীক কখনো ফেরত দেওয়া উচিত নয়।”
রেগেভের মতে, সিনাওয়ারের মরদেহ ফেরত দেওয়া হলে তা ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সহানুভূতি সৃষ্টি করতে পারে, যা ইসরায়েলের জন্য “বিপজ্জনক বার্তা” বহন করবে।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে পাকিস্তানে মার্কিন অভিযানে নিহত হন আল-কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেন। পরে তার মরদেহ সমুদ্রে ফেলে দেয় মার্কিন সেনারা।
চলতি মাসে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র, মিসর ও কাতারের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি আলোচনার সময় হামাস তাদের নেতা ইয়াহিয়া সিনাওয়ার ও তার ভাই মোহাম্মদের মরদেহ ফেরত চেয়েছিল। তবে ইসরায়েল তা প্রত্যাখ্যান করে মরদেহ গোপন সংরক্ষণাগারে রাখে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েল হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া ইয়াহিয়া সিনাওয়ার একই বছরের ১৬ অক্টোবর রাফাহ অঞ্চলে ইসরায়েলি সেনাদের অভিযানে নিহত হন। তার ভাই মোহাম্মদ সিনাওয়ারও পরবর্তীতে বিমান হামলায় প্রাণ হারান।
সূত্র: ইয়েনেত, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।