বিস্তারিত (প্রাসঙ্গিক ব্যাকগ্রাউন্ডসহ):
ইয়েমেনের সামরিক নেতৃত্বে এই পরিবর্তন এমন এক সময়ে এলো, যখন দেশটি চলমান আঞ্চলিক অস্থিরতা ও বাহ্যিক হামলার মধ্যে সামরিক কাঠামো পুনর্গঠনের চাপে রয়েছে। মেজর জেনারেল ইউসুফ হাসান আল-মাদানি এর আগে উত্তর ফ্রন্টে সেনা অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং কৌশলগত দক্ষতার জন্য পরিচিত।
পূর্ববর্তী সেনাপ্রধান মুহাম্মদ আবদুল করিম আল-ঘামারি গত ২৮ আগস্ট ইসরায়েলের বিমান হামলায় গুরুতর আহত হন। কয়েক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়, যা ইয়েমেনি সামরিক বাহিনীর জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন প্রধানের নিয়োগকে তাই সেনাবাহিনীর মনোবল পুনরুদ্ধার ও প্রতিরক্ষা পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আল-মাদানির নেতৃত্বে ইয়েমেনের সামরিক নীতি আরও আক্রমণাত্মক ও প্রতিরোধনির্ভর হতে পারে, বিশেষত সীমান্তবর্তী এলাকায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে।
ডেস্ক রিপোর্ট