হামাস এবং ইসরাইল গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে সম্মত হয়েছে, যা সংঘাত বন্ধ, ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার, ত্রাণ সরবরাহ এবং বন্দি বিনিময়ের বিষয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং কাতার উভয়ই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মিশরের মধ্যস্থতায় গত সোমবার শুরু হওয়া হামাস-ইসরাইল পরোক্ষ আলোচনা তিন দিনে ফলপ্রসূ হয়, যার পর মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শর্তগুলো পালনের ব্যাপারে দুই পক্ষ একমত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, এই ঐতিহাসিক চুক্তি দ্রুত সকল বন্দিকে মুক্তি দিতে এবং ইসরাইল সেনাদের নির্দিষ্ট সীমান্ত পর্যন্ত প্রত্যাহার করতে উদ্যোগী করবে। তিনি কাতার, মিশর এবং তুরস্ককে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ধন্যবাদ জানান।
হামাসের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে গাজায় যুদ্ধবিরতি, ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার, ত্রাণ পৌঁছানো এবং বন্দি বিনিময় নিশ্চিত করার শর্ত বিদ্যমান রয়েছে। হামাস অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, আরব মধ্যস্থতাকারী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যাতে শর্তাবলী পূরণে বাধা সৃষ্টি না করা হয়।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারিও যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার প্রথম ধাপের বিবরণ নিশ্চিত করে বলেন, এটি যুদ্ধবিরতি, বন্দি মুক্তি এবং ত্রাণ প্রবাহকে নিশ্চিত করবে, যার বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে জানানো হবে।
এই চুক্তি গাজায় দীর্ঘদিন ধরে চলা ক্রমবর্ধমান সংঘাতের অবসান ঘটাতে এবং স্থায়ী শান্তির পথ প্রসারিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হচ্ছে। প্রথম ধাপের সফলতার উপর নির্ভর করবে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তির সম্ভাবনা ও টেকসই প্রতিষ্ঠা।