বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আমন বীজ ধান কর্তন উৎসব শুরু
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদারের সভাপতিত্বে খামার ব্যবস্থাপনা শাখার আয়োজনে আমন বীজ ধান কর্তন উদ্বোধন, খাদ্য নিরাপত্তায় গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ
- আপলোড সময় : ০৮-১১-২০২৬ ০৬:২৩:৪২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৮-১১-২০২৬ ০৬:২৩:৪২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৬৭ বার পঠিত
ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) খামার ব্যবস্থাপনা শাখার আয়োজনে আমন বীজ ধান কর্তন শুরু হয়েছে। রবিবার (০৮ নভেম্বর) বেলা ১২ টায় বীজ ধান কর্তনের উদ্বোধন করেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।
প্রধান খামার তত্ত্বাবধায়ক মো. জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাসুম আহমাদ, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম, রেজিস্ট্রার মো. হেলাল উদ্দীন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক (অতিরিক্ত দায়িত্ব), প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মুহ. এনামুল হক, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম, ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. আসাদুল হকসহ খামার ব্যবস্থাপনা শাখার দায়িত্বশীল অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
এসময় বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, বছরের এই সময়ে ধান কাটা আবহমান বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি কেবল কৃষিকাজ নয়, বরং আমাদের গ্রামীণ জীবনের একটি উৎসব। নতুন ধানের চাল দিয়ে তৈরি পিঠাপুলি আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তিনি আরও বলেন, বাকৃবির খামারে উৎপাদিত বীজ বিক্রির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় যেমন আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছে, তেমনি এসব বীজ কৃষকের জন্য কতটা উপযোগী, তা মাঠপর্যায়ে যাচাইয়ের সুযোগও তৈরি হচ্ছে। বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিজমির পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে এলেও এ ধরনের কৃষিভিত্তিক কার্যক্রম ও উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে।
দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের নিরলস প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী আয়োজনের জন্য তিনি খামারের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
প্রসঙ্গত, খামার ব্যবস্থাপনা শাখায় বিএডিসি, বিনা ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় বিভিন্ন জাতের ধান, গম ও তৈল বীজ উৎপাদন করা হয় যা কৃষকদের মাঝে পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় বাকৃবি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।