পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা জরুরি। সন্তান জন্মের পর শরীরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে সময় লাগে। নবজাতকের যত্ন নিতে গিয়ে অনেক মা পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম পান না। তবে সুযোগ পেলেই বিশ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্য গ্রহণ করা প্রয়োজন। প্রসবের পর শরীরের শক্তি পুনরুদ্ধার এবং শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য মায়ের অতিরিক্ত পুষ্টির প্রয়োজন হতে পারে। খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফল, ডাল, মাছ, ডিম, দুধ ও পর্যাপ্ত পানি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে প্রসবের পর রক্তস্রাবের সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় না রাখলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করা উচিত।
এ ছাড়া অতিরিক্ত রক্তস্রাব, তীব্র জ্বর, শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা, তীব্র মাথাব্যথা বা অস্বাভাবিক ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। প্রসবের পর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চিকিৎসকের ফলো-আপ পরামর্শও গুরুত্বসহকারে মেনে চলা উচিত।
মা সুস্থ থাকলে নবজাতকের যত্ন নেওয়াও সহজ হয়। তাই প্রসবের পর শুধু শিশুর নয়, মায়ের সুস্থতার প্রতিও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবার, সমাজ এবং স্বাস্থ্যসেবাকর্মীদের সমন্বিত সহযোগিতা একজন নতুন মাকে নিরাপদ ও সুস্থভাবে মাতৃত্বের নতুন অধ্যায়ে এগিয়ে যেতে সহায়তা করতে পারে।