ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ , ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি যুবসমাজ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ৩৫৩ জন আটক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুপারিশ তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে প্রস্তাব ৪ বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্য বৈঠক শেষ আজ, আলোচনায় শুল্ক ও বাণিজ্য ঘাটতি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়া শুরু বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ এশিয়ার বাজারগুলোতে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি অবসরভাতা পেতে শিক্ষকদের ভোগান্তি বন্ধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক পাকিস্তান ও ভারতীয়দের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: WHO যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কেন সম্ভাব্য মার্কিন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা?

বাংলাদেশে মানবাধিকার মিশন স্থাপনে জাতিসংঘের সঙ্গে সরকারের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

প্রেস রিলিজ

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৯-০৭-২০২৫ ০৮:২৪:৪৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৯-০৭-২০২৫ ০৮:৪২:৫১ অপরাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৩৫ বার পঠিত
বাংলাদেশে মানবাধিকার মিশন স্থাপনে জাতিসংঘের সঙ্গে সরকারের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষা ও বিকাশের লক্ষ্যে জাতিসংঘের মানবাধিকার দফতর (OHCHR) এবং বাংলাদেশ সরকার তিন বছরের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। শনিবার (১৯ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।
 
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ মিশনের মূল লক্ষ্য হলো সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান, আইনি সহায়তা জোরদার করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করা। এটি বাংলাদেশকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতা পালনে সহায়তা করবে।
 
এই উদ্যোগ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রেক্ষিতে সংস্কার ও জবাবদিহিতার প্রতি সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন বলে উল্লেখ করা হয়।
 
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশে কিছু গোষ্ঠী জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও সরকার এ বিষয়ে স্পষ্ট করেছে যে, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে সম্মান করেই মিশনটি পরিচালিত হবে। মিশনটি কোনো সামাজিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য নয়, বরং গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ওপর কেন্দ্রীভূত থাকবে।
 
এছাড়া জাতিসংঘ বাংলাদেশের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে স্বচ্ছতা বজায় রেখে স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
 
সরকার উল্লেখ করেছে, জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী হলে প্রয়োজনে সমঝোতা থেকে সরে আসার সার্বভৌম অধিকার বাংলাদেশ সংরক্ষণ করে।
 
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যদি এমন একটি মানবাধিকার মিশন পূর্ববর্তী সরকারের আমলে থাকত, যখন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গণহত্যা ঘটেছিল, তাহলে সেসব অপরাধ নথিভুক্ত ও বিচারপ্রাপ্ত হতে পারত।
 
সরকার এই উদ্যোগকে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে, যা দেশের আইন, মূল্যবোধ ও জনগণের কাছে জবাবদিহিতার ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০১

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।