রোববার (২১ ডিসেম্বর) ইনকিলাব মঞ্চ তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এই অসন্তোষ প্রকাশ করে। সংগঠনটির দাবি, তাদের ঘোষিত দুই দফা দাবির পক্ষে দশ লক্ষাধিক মানুষের সমর্থন থাকলেও তা উপেক্ষা করা হচ্ছে। বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও সহকারী স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে বিষয়টির ব্যাখ্যা দেননি। এছাড়া, প্রধান উপদেষ্টার পূর্ণ কর্তৃত্ব স্থাপনের মাধ্যমে সিভিল-মিলিটারি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো থেকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুসারীদের গ্রেপ্তারের যে দাবি ছিল, তাও পূরণ করা হয়নি। ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে উপদেষ্টাদের পরিবর্তে একজন অতিরিক্ত আইজিপিকে দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করানোকে ঘটনাটির গুরুত্ব কমানোর প্রয়াস হিসেবে দেখছে সংগঠনটি।
এর আগে, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সংগঠনটি দুই দফা দাবি উত্থাপন করেছিল। রোববারের ওই ফেসবুক বিজ্ঞপ্তিতে সেই দাবিগুলো পুনরায় উল্লেখ করা হয়। প্রথম দফায় দাবি করা হয়, শহীদ হাদির প্রত্যক্ষ খুনি, পরিকল্পনাকারী, সহায়তাকারী ও আশ্রয়দাতাসহ পুরো চক্রকে দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং ১২ ডিসেম্বর থেকে সরকার বিচারের জন্য কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও সহকারী উপদেষ্টাকে জাতির সামনে ব্যাখ্যা করতে হবে।
দ্বিতীয় দফায় বলা হয়, সিভিল ও মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের ভেতরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও বিচার করতে হবে। সংগঠনটি পূর্বেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, রোববারের মধ্যে যথোপযুক্ত ব্যাখ্যা প্রদানে ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও সহকারী উপদেষ্টাকে সেই ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করতে হবে। প্রশাসনের বর্তমান পদক্ষেপকে অপর্যাপ্ত ও হতাশাজনক উল্লেখ করে ইনকিলাব মঞ্চ তাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার জন্য সোমবারের সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেছে।
(সূত্র: ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ)
ডেস্ক রিপোর্ট