পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রাদেশিক আইনসভা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-কে নিষিদ্ধ করার একটি প্রস্তাব গৃহীত করেছে। পাকিস্তানি দৈনিক ডন-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, সেনাবিরোধী বক্তব্য ছড়ানোর অভিযোগে সেনা কর্মকর্তার প্রকাশ্য সমালোচনার কয়েকদিন পরেই এই সিদ্ধান্ত নেয় প্রাদেশিক পরিষদ।
প্রস্তাবটিতে পিটিআই ও ইমরান খানকে “রাষ্ট্রবিরোধী” হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয় এবং দাবি করা হয়, দলটি “শত্রু রাষ্ট্রের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে” এবং দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার ষড়যন্ত্রে সম্পৃক্ত। এতে উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, যা ভারতের মতো বৃহৎ প্রতিবেশী দেশের মোকাবিলায় বহু বছর ধরে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।
আলোচনায় আরও বলা হয়, যে কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি যদি রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকে, তাদের বিরুদ্ধে আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত এবং উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
পাঞ্জাবের তথ্যমন্ত্রী আজমা বোখারি সংবাদমাধ্যমকে জানান, পিটিআই যদি তাদের রাজনৈতিক অবস্থান ও বক্তব্যে পরিবর্তন না আনে, তবে সরকার দলটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা গভর্নরের শাসন জারির মতো পদক্ষেপ বিবেচনা করতে পারে।
উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৪ সালের শুরুতে পাকিস্তানের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকারও পিটিআইকে নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেয় এবং ইমরান খান, তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ড. আরিফ আলভি ও জাতীয় পরিষদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার কাসিম সুরির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা দায়েরের আবেদন করে।
ডেস্ক রিপোর্ট