ইন্টার মায়ামির জার্সিতে শেষ পর্যন্ত বড় সাফল্যের স্বাদ পেলেন লিওনেল মেসি। মেজর লিগ সকারে তিন বছরের পথচলায় এটাই তার প্রথম এমএলএস কাপ জয়। ভ্যানকুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩–১ গোলে হারিয়ে ক্লাবটিকে প্রথমবারের মতো লিগ শিরোপা এনে দেয় ডেভিড বেকহামের মালিকানাধীন দলটি। ফাইনালে গোল না করলেও দুইটি অ্যাসিস্ট দিয়ে দলকে জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
মেসি ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলে পা রাখেন। ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করা ইন্টার মায়ামির জন্য এ অর্জন ঐতিহাসিক, আর মেসির ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারে এটি ৪৮তম ট্রফি। ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে ৩৮ বছর বয়সী তারকা জানান, এমএলএসে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই এই অর্জনের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। দলের দীর্ঘ মৌসুমের কঠোর পরিশ্রমের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এই শিরোপা পুরো দলের প্রাপ্য।
মায়ামি ম্যাচের শুরুতেই ৮ মিনিটে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায়। বিরতির পর ৬০ মিনিটে সমতায় ফেরে ভ্যানকুভার। তবে এরপর খেলায় গতি ফেরান মেসি। ৭১ মিনিটে তার নিখুঁত পাস থেকে লিড এনে দেন রদ্রিগো ডি পল। যোগ করা সময়ের ছয় মিনিটে মেসির আরেকটি অ্যাসিস্টে স্কোর করেন তাদেও আলেন্দে, যা নিশ্চিত করে ৩–১ ব্যবধানের জয়।
মেসির নিষ্ঠা ও পরিশ্রমে মুগ্ধ ইন্টার মায়ামির কোচ হাভিয়ের মাসচেরানো বলেন, সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে মেসির প্রচেষ্টা দেখিয়েছে এই শিরোপা তার কাছে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, ফাইনালে ভাগ্যও দলের পাশে ছিল—বিশেষ করে প্রথমার্ধে প্রতিপক্ষের দুটি শট পোস্টে বাধা পাওয়াকে তিনি সৌভাগ্য হিসেবে দেখছেন।
এই ম্যাচকে ঘিরেই পেশাদার ফুটবল থেকে বিদায় নেন মেসির দীর্ঘদিনের সতীর্থ জর্ডি আলবা ও সার্জিও বুসকেটস। শিরোপা জয়ে বন্ধুদের বিদায় জানাতে পারায় আবেগী হয়ে ওঠেন মেসি। তিনি বলেন, দুজনই নিজেদের প্রজন্মের সেরা ফুটবলারদের মধ্যে অন্যতম, আর শিরোপা হাতে বিদায় নেওয়া তাদের জন্য বিশেষ এক মুহূর্ত।
ডেস্ক রিপোর্ট