পাবনা-৪ সংসদীয় আসনে প্রচারণাকালে জেলা জামায়াতের আমির ও দলটির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের সমর্থকরা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত। এ ঘটনায় অধ্যাপক আবু তালেবসহ জামায়াতের অন্তত অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। যদিও এসব অভিযোগ বিএনপি প্রার্থী সরাসরি অস্বীকার করেছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চর গড়াগড়ি এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জামায়াত নেতারা। ওই সময় আহতদের নাম-ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি; তাদের ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এর দুই দিন আগে একই এলাকায় জামায়াত কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছিল, যার সূত্র ধরে সেদিন নির্বাচন প্রচারণার সময় নতুন হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার সময় আবু তালেব মন্ডলের গাড়িতে ভাঙচুর করা হয় এবং তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। নেতা-কর্মীদের উপর আক্রমণে শতাধিক মোটরসাইকেলও ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে দাবি করা হয়।
অভিযোগর বিষয়ে অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রচারণা চালাতে গিয়েছিলেন, সেখানে বিএনপি সমর্থকরা অস্ত্র নিয়ে হামলা ও গুলিবর্ষণ করে অন্তত ৬০-৭০ জনকে আহত করেছে। অন্যদিকে ঈশ্বরদী থানা পুলিশের ওসি আ.স.ম আব্দুন নুর ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও পাবনা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব মোবাইল ফোনে জানান, জামায়াত কর্মীরা এলাকায় গিয়ে প্রথমে গুলিবর্ষণ ও হামলা শুরু করে। তখন স্থানীয়রা প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং জামায়াত সমর্থকরা গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়। তিনি দাবি করেন, এ ঘটনায় বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী জড়িত নন।
ডেস্ক রিপোর্ট