শনিবার বিকেলে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে গণসমাবেশে বক্তব্য রাখেন হারুনুর রশিদ। তিনি বলেন, জামায়াত নেতারা ভোট পাওয়ার আশায় ‘হরি হরি বোল’ বলে স্লোগান দিচ্ছেন—এই বিষয়গুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইউটিউবে প্রচারিত হচ্ছে। তার ভাষ্যে, “আমি মিথ্যা বলছি না, সবকিছুই ওপেন সোর্সে আছে।”
ধর্মকে পুঁজি করে ভোট চাওয়ার প্রবণতাকে কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আজ বলা হচ্ছে ইসলামিক দলকে ভোট দেওয়া ইবাদতের অংশ, তাহলে দলিল কোথায়?” তিনি দাবি করেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানই প্রথম সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন এবং ‘আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস’ রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন। তার প্রশ্ন, “এর চেয়ে আর কত বেশি ধর্মীয় উদারতা চান?”
জামায়াত নেতাদের পূজামণ্ডপে গিয়ে ধর্মীয় উসকানি ও বিভক্তি তৈরির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে হানাহানি শুরু হয়েছে।” ইসলামী বক্তাদের উদ্দেশ্যে তার পরামর্শ—“সচেতন হোন, ধর্মের নামে বিভ্রান্তি নয়, শান্তি প্রতিষ্ঠার ডাক দিন।”
শেষে তিনি পদ্মার পানির ন্যায্য বণ্টন নিয়ে সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ভারত একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করায় বাংলাদেশ বন্যায় ডুবে ও খরায় মারা যাচ্ছে। “পদ্মার পানি আমাদের অধিকার, এটি দয়া নয়”—তিনি মন্তব্য করেন।
ডেস্ক রিপোর্ট