এদিকে সংঘর্ষের পর থেকে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। জোবরা গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় এখনো বহাল রয়েছে ১৪৪ ধারা। বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস চালু থাকলেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সব বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি, পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে বিকেল তিনটায় জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেছেন উপাচার্য।
শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটে ভাড়া বাসায় প্রবেশকে কেন্দ্র করে এক ছাত্রীকে মারধরের জেরে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরদিন রোববারও শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এ সময় প্রোভিসি, প্রক্টরসহ কয়েকশ শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ডেস্ক রিপোর্ট