বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নির্বাচনী সংস্কার ও আইনি ভিত্তি নিয়ে বিতর্কের মধ্যে বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানিয়েছেন, যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হবে না সেসবের সিদ্ধান্ত পরবর্তী সংসদে নেওয়া হবে।
শনিবার এক আলোচনায় বিএনপি মহাসচিব বলেন, “যেকোনো পরিবর্তন আনতে হলে সংসদের মাধ্যমেই যেতে হবে। সংসদ ছাড়া সংবিধান সংশোধন সম্ভব নয়।” তিনি আরও পরিষ্কার করেন যে, গণপরিষদ বা নতুন সংবিধান তৈরির বিষয়ে বিএনপির কোনো অবস্থান নেই; বিদ্যমান সংবিধানের ভেতর থেকেই সব কিছু সমাধান করতে হবে। প্রয়োজনে ত্রুটি-বিচ্যুতি সংশোধন করা যেতে পারে।
মির্জা ফখরুল জানান, “আমরা নতুন সংবিধান মেনে নেব না। কারণ বর্তমান সংবিধানের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম গভীরভাবে যুক্ত। ভুলত্রুটি থাকলে তা সংশোধন করা যাবে, তবে নতুন সংবিধান লেখার কোনো যৌক্তিকতা নেই।”
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ভিন্নমত দিলেও নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তার মতে, নির্বাচন বিলম্বিত হলে গণতান্ত্রিক উত্তরণ ব্যাহত হবে, যা রাজনৈতিক দলগুলোও উপলব্ধি করে।
সংস্কার প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন ও নিপীড়নের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী বিএনপি। তাই সংস্কার ও গণহত্যার বিচারের প্রশ্নে আপসের সুযোগ নেই। তিনি জানান, যে সংস্কার প্রস্তাবে ঐকমত্য হয়েছে তা অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা উচিত এবং বাকি বিষয়গুলো সংসদের হাতে তুলে দিতে হবে।
এছাড়া, আসন্ন নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের প্রত্যাশা প্রকাশ করেন তিনি। তার ভাষায়, “জামায়াত ইতোমধ্যে প্রচার শুরু করেছে। অতীত অভিজ্ঞতা বলছে, সব দলই ভোটে অংশ নেবে।”
নতুন সংবিধান নয়, তবে জুলাই সনদের আইনি নিশ্চয়তা থাকবে: মির্জা ফখরুল
- আপলোড সময় : ৩১-০৮-২০২৫ ০৯:৩৬:০১ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩১-০৮-২০২৫ ০৯:৩৬:০১ পূর্বাহ্ন

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ