তিনি মার্কিন প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক শুল্ক কাঠামো প্রণয়ন করায় বাংলাদেশ এখন প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর সমান সুযোগ পাচ্ছে। তবে এই সুযোগকে কাজে লাগাতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের আরও দক্ষ হতে হবে এবং পণ্যের মূল্য নির্ধারণে মার্কিন ক্রেতাদের বোঝাতে হবে যে শুল্কের চাপ চূড়ান্ত ভোক্তার ওপর পড়বে।
ফজলে শামীম সতর্ক করে বলেন, শুল্কের কারণে পণ্যের দাম কিছুটা বাড়তে পারে, যার ফলে বিক্রি কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তবুও তিনি আশাবাদী, কারণ প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোতেও একই বা তার চেয়েও বেশি শুল্কহার প্রযোজ্য হওয়ায় বাংলাদেশ দরকষাকষির ক্ষেত্রে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব, নীতিগত সহায়তা এবং সুলভ সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা গেলে বাংলাদেশের পোশাক খাত এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আরও সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারবে।
ডেস্ক রিপোর্ট