রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় করা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাসহ চারজনকে রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
রিমান্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা মো. রায়হান উদ্দিনকে চার দিন এবং রাসেল খান, আলাউদ্দিন আহমেদ ও আবদুল্লাহ মাসহুর আশরাফীকে দুই দিন করে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। রায়হান বংশাল থানাধীন ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ৬ নম্বর ইউনিটের দপ্তর সম্পাদক বলে জানিয়েছে ডিবি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির ওয়ারী বিভাগের পরিদর্শক মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা আসামিদের আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি দিলেও আসামিপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন।
পুলিশ ও ডিবির তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একজন পথচারী আহত হন। পরে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে রায়হান উদ্দিনকে শনাক্ত করা হয় এবং ১৯ সেপ্টেম্বর বংশাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবি জানিয়েছে, রায়হানকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লালবাগের জেন সাহা রোডের একটি ভবনের পার্কিং এলাকা থেকে চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে ডেমরার ডগাইর এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপর তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না এবং বিস্ফোরণের পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।