ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ১৪ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে শান্তিপূর্ণ বিশ্বব্যবস্থা গড়ার আহ্বান তারেক রহমানের সুপার এল নিনো কি, কিভাবে এটা আবহাওয়াকে প্রভাবিত করে? গাজায় ট্রাম্পের শান্তি দাবি উড়িয়ে দিয়ে একে ‘লজ্জাজনক’ বললেন ম্যাক্রো তেল ও গ্যাস সাপ্লাই চেইনের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক সহায়তা করতে রাজি আছে বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দম্পতি থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে স্বাধীন ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসের ভাড়া ১৭ পয়সা বাড়ল আল-আকসার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে ইসরাইল:শায়খ ইকরিমা সাবরি অপ্রতিম হত্যা মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন: আইফোন ছিনতাই ও পাঁচ হাজার টাকা অব্যবহৃত ২৪টি ট্রমা সেন্টার চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার নয়াদিল্লির একাধিক স্কুলে ইমেইলে বোমা হামলার হুমকি: তল্লাশি অভিযান শুরু সমুদ্রের ১০ মিটার গভীরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে চীনা বিজ্ঞানীদের সাফল্য জাতিসংঘে ভাষণ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন তারেক রহমান ইসরায়েলের কাছে ৬০ হাজার ভারী বোমা বিক্রির চূড়ান্ত প্রস্তুতি ট্রাম্পের খিলক্ষেত থেকে ১২ বছরের শিশু নাঈম নিখোঁজ: অজ্ঞাত ব্যক্তির ফোনকল পরিবারে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেসরকারি খাতে ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের চুক্তি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের পক্ষে রাশিয়ার ও চীনের ভেটো

বিতর নামাজ কি ওয়াজিব? দলিল ও কাযা আদায়ের বিধান সম্পর্কে যা জানা প্রয়োজন

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২৭-০৬-২০২৬ ০৮:২৩:৪২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৬-২০২৬ ০৮:২৩:৪২ পূর্বাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ৮৪ বার পঠিত
বিতর নামাজ কি ওয়াজিব? দলিল ও কাযা আদায়ের বিধান সম্পর্কে যা জানা প্রয়োজন প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
প্রশ্ন : ১. বিতর নামাযকে হানাফি মাযহাবে ওয়াজিব বলা হয়। এর পক্ষে কোন দলিল আছে কি?

২. বিতর নামায না পড়তে পারলে এর কাযা আদায় করতে হবে কি?

উত্তর : ১. বিতর নামায ওয়াজিব হবার স্বপক্ষে অনেক দলীল বিদ্যমান রয়েছে। নিচে কয়েকটি দলীল উপস্থাপন করা হল।

عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «الْوِتْرُ حَقٌّ، فَمَنْ لَمْ يُوتِرْ فَلَيْسَ مِنَّا، الْوِتْرُ حَقٌّ، فَمَنْ لَمْ يُوتِرْ فَلَيْسَ مِنَّا، الْوِتْرُ حَقٌّ، فَمَنْ لَمْ يُوتِرْ فَلَيْسَ مِنَّا হযরত আব্দুল্লাহ বিন বুরাইদা তার পিতা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, রসূল ﷺ ইরশাদ করেছেন, বিতর হল হক [সত্য]। সুতরাং যে ব্যক্তি তা আদায় না করবে, সে আমাদের অন্তর্ভূক্ত নয়। বিতর হল হক [সত্য]। সুতরাং যে ব্যক্তি তা আদায় না করবে, সে আমাদের অন্তর্ভূক্ত নয়। {সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-১৪১৯, সুনানে কুবরা লিলবায়হাকী, হাদীস নং-৪১৪৯, মিশকাতুল মাসাবীহ, হাদীস নং-১২৭৮} ইমাম হাকেম বলেন, এ হাদীসটি সহীহ। {মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং-১১৪৬, ১১৪৭}

উক্ত হাদীসে দু’টি বিষয় লক্ষ্যনীয়। প্রথমত বিতর নামাযকে হক বলে আখ্যায়িত করে এটির প্রয়োজনীয়তা অধিক হবার প্রতি পরিস্কার ইংগিত করছে। দ্বিতীয়ত এটি পরিত্যাগকারীকে উম্মতে মুহাম্মদীর অন্তর্ভূক্ত নয় বলে সতর্কবাণী উচ্চারণ করা হয়েছে। যা পরিস্কারভাবে বিতর নামায ওয়াজিব হবার প্রমাণ বহন করছে।

এছাড়া আরো দেখুন- عَنْ أَبِي أَيُّوبَ , عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الْوِتْرُ حَقٌّ وَاجِبٌ হযরত আবু আইয়্যুব রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রসূল ﷺ ইরশাদ করেছেন, বিতর নামায হক ও ওয়াজিব। {সুনানে দারা কুতনী, হাদীস নং-১৬৪০}

عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: «الْوِتْرُ وَاجِبٌ يُعَادُ إِلَيْهِ إِذَا نُسِيَ» হযরত তাউস তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, বিতর নামায ওয়াজিব, কাযা হয়ে গেলে তা আদায় করতে হবে। {মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং-৪৫৮৭}

عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ اللَّهَ زَادَكُمْ صَلَاةً إِلَى صَلَاتِكُمْ وَهِيَ الْوَتْرُ» আমর বিন শুয়াইব তার পিতা, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন, রসুল ﷺ ইরশাদ করেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তোমাদের নামাযের মাঝে একটি নামায বৃদ্ধি করে দিয়েছেন, সেটি হল বিতর নামায। {মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-৬৮৫৮}

عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، قَالَ: «الْوَتْرُ حَقٌّ، أَوْ وَاجِبٌ» হযরত আবু আইয়্যুব আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, বিতর নামায ওয়াজিব। {মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-৬৮৫৯}

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى وَتْرٌ، يُحِبُّ الْوَتْرَ» হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রসুল ﷺ ইরশাদ করেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা বেজোড়, তিনি বেজোড় তথা বিতরকে ভালবাসেন। {মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-৬৮৬৪}

মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবায় আরো এরকম অসংখ্য বর্ণনা রয়েছে যা সাহাবী ও তাবেয়ীগণের বক্তব্য নির্ভর। যা পরিস্কার শব্দে প্রমাণ করে বিতর নামায ওয়াজিব।

২. বিতর নামাযের কাযা পড়তে হবে। কেননা বিতর নামায ওয়াজিব।

আবু সায়ীদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি বিতরের নামাযের কথা ভুলে যায় বা বিতর পড়া ব্যতীত ঘুমিয়ে পড়ে সে যেন স্মরণ হওয়ামাত্রই বা ঘুম থেকে উঠামাত্রই বিতর পড়ে নেয়।

— মুসনাদে আহমদ, হাদীস ১১২৬৪; জামে তিরমিযী, হাদীস ৪৬৫; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস: ১৪২৬; বাদায়েউস সানায়ে ১/৬০৮; হেদায়া, ফাতহুল কাদীর ১/৩৭২; আলবাহরুর রায়েক ২/৩৮; আততাজনীস ২/৯৩; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ২/৩৩৯; রদ্দুল মুহতার ২/৫

فى تنوير الأبصار- وكذا حكم الوتر وقال ابن عابدين، لأنه فرض عملى عنده (رد المحتار، كتاب الصلاة، باب قضاء الفوائت-2/73، سعيد)

সূত্র : ১. আহলে হক মিডিয়া ২. মাসিক আল কাউসার, জুমাদাল আখিরাহ ১৪৩৭ || মার্চ ২০১৬

সংগৃহীত - হানাফী ফিকহ ফেসবুক গ্রুপ থেকে


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।