ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬ , ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প

তিস্তা নদীতে ভাঙন তীব্র, গঙ্গাচড়ায় সেতু রক্ষা বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত; ঝুঁকিতে রংপুর-কাকিনা সড়ক

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ২১-০৬-২০২৬ ০৯:৩৮:০৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২১-০৬-২০২৬ ০৯:৩৮:০৫ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১৮৬ বার পঠিত
তিস্তা নদীতে ভাঙন তীব্র, গঙ্গাচড়ায় সেতু রক্ষা বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত; ঝুঁকিতে রংপুর-কাকিনা সড়ক ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় তিস্তা নদীর তীব্র স্রোতে মহিপুর সেতুর রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে, যা সেতু এবং রংপুর-কাকিনা আঞ্চলিক সড়কের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। শনিবার সন্ধ্যার পর নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেতুর উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে ধস শুরু হয় এবং রাত পর্যন্ত অন্তত ৩০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাঙনের ফলে সেখানে প্রায় ৬০ ফুট গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে, যা সেতু ও সড়ক যোগাযোগের জন্য বড় ধরনের হুমকি তৈরি করছে। পরিস্থিতি অবনতির দিকে গেলে যেকোনো সময় মহিপুর সেতুর সঙ্গে কাকিনাগামী সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
 

এলাকাবাসী জানান, গত বছরও একই বাঁধের প্রায় ১০০ ফুট অংশ নদীতে বিলীন হয়েছিল। সে সময় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রায় ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁশের পাইলিং করে ভাঙন রোধের চেষ্টা করে। তবে স্থায়ী ও টেকসই কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নেওয়ায় এবারের প্রবল স্রোতে সেই কাঠামো ভেঙে গেছে।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হাদী বলেন, আগের ভাঙনের সময় বাঁধে ব্লক স্থাপন করে শক্তিশালী করার অনুরোধ জানানো হলেও তা কার্যকর হয়নি। তার দাবি, অপরিকল্পিত উদ্যোগ ও অর্থের অপচয়ের ফলেই বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সেতুর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে।
 

গঙ্গাচড়া উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ের প্রকৌশলী শাহ মো. ওবায়দুর রহমান জানান, গত বছর বিশেষজ্ঞ দলের পরামর্শ অনুযায়ী পাইলিং করা হয়েছিল। নতুন করে ভাঙনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তারও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।
 

তিস্তা নদী বরাবরই উত্তরাঞ্চলে ভাঙনপ্রবণ হিসেবে পরিচিত। বর্ষা মৌসুমে পানি বৃদ্ধি পেলে নদীর তীরবর্তী অবকাঠামো ও বসতবাড়ি ঝুঁকিতে পড়ে। সাম্প্রতিক এই ভাঙন পরিস্থিতি আবারও নদী ব্যবস্থাপনা ও টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা সামনে নিয়ে এসেছে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : Kaler Diganta

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।