তদন্তে দেখা গেছে, খেলনাটির ব্যারেল এবং হ্যামার মেকানিজম এমনভাবে তৈরি যা ছোট ক্যালিবারের আসল বুলেটের আঘাত সহ্য করতে সক্ষম। জাপানের ফরেনসিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে যে, সামান্য পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি একটি প্রাণঘাতী আগ্নেয়াস্ত্রে রূপান্তর করা সম্ভব। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে চীনের অন্তত ৭৮টি কোম্পানি ৩১টি প্রিফেকচারে এই খেলনাগুলো সরবরাহ করে। প্রাথমিকভাবে এগুলো শিশুদের জন্য নিরীহ মনে হলেও জাপানের কঠোর ‘আগ্নেয়াস্ত্র ও তলোয়ার নিয়ন্ত্রণ আইন’ (Firearms and Swords Control Law) অনুযায়ী এগুলো এখন ‘প্রকৃত আগ্নেয়াস্ত্র’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে পুলিশের এই কঠোর অবস্থানের কারণে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। দেশজুড়ে ১৫,৮০০টি খেলনা ছড়িয়ে থাকলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ৪,০০০টির মতো উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অনেক অভিভাবক এই পরিস্থিতিকে একটি ‘আইনি ফাঁদ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁদের মতে, গেম সেন্টার থেকে জেতা একটি প্লাস্টিকের খেলনা যে কাউকে মুহূর্তেই ‘অবৈধ অস্ত্রধারী’ বা অপরাধী বানিয়ে দিতে পারে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম উদ্বেগজনক। পুলিশ নাগরিকদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় জমা দিলে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তল্লাশিতে ধরা পড়লে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ডেস্ক রিপোর্ট