বিআইডব্লিউটিএ চাঁদপুরের উপপরিচালক (নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা) বাবু লাল বৈদ্য মধ্যরাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাত বাড়ার সাথে সাথে নদীবক্ষে কুয়াশার ঘনত্ব বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে যায়। এমতাবস্থায় দিকনির্ণয়কারী সিগন্যাল ও বাতি অস্পষ্ট হয়ে পড়ায় নৌযান চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। যাত্রীদের জানমালের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, মাঝনদীতে অবস্থানরত লঞ্চ ও নৌযানগুলোকে নিকটস্থ তীরের নিরাপদ স্থানে নোঙর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মাঝপথে আটকা পড়া যাত্রীরা তীব্র শীতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলগামী এবং চাঁদপুরমুখী যাত্রীরা গন্তব্যের অপেক্ষায় মাঝনদীতে নোঙর করে আছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কুয়াশা কেটে গিয়ে দৃষ্টিসীমা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোনো নৌযানকেই ঘাট ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।
বিআইডব্লিউটিএ-এর পক্ষ থেকে নদীপথের আপডেট সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলে ভোরে বা সকালে পুনরায় চলাচল শুরুর বার্তা দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। নিরাপদ নৌ-চলাচলের স্বার্থে যাত্রী ও চালকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট