সুদানের কুর্দোফানে ভয়াবহ সংঘর্ষ: নতুন করে ৫০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত, হুমকিতে শান্তিরক্ষীরা
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২০-১২-২০২৫ ১১:০৩:২২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২০-১২-২০২৫ ১১:০৩:২২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
সুদানের দক্ষিণ কুর্দোফান অঞ্চলে অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে মানবিক বিপর্যয় চরমে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই দাঙ্গার জেরে গত কয়েক সপ্তাহে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, পরিস্থিতি যে গতিতে অবনতি হচ্ছে, তাতে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা দ্রুতই ১ লাখে পৌঁছাতে পারে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
বিশেষ করে দক্ষিণ কুর্দোফানের রাজধানী শহর কাদুগলিতে লড়াইয়ের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি। আইওএম-এর মতে, শহরটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন খাদের কিনারায়। যদি অবিলম্বে লড়াই বন্ধ না হয়, তবে এই এলাকা থেকে আরও ৪০ থেকে ৫০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। যুদ্ধের এই ভয়াবহতা কেবল স্থানীয়দের নয়, সেখানে নিয়োজিত আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী মিশনকেও চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
সম্প্রতি এই কাদুগলি এলাকাতেই দায়িত্ব পালনকালে একটি ভয়াবহ ড্রোন হামলার শিকার হন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা। ওই হামলায় ৬ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হওয়ার ঘটনা বিশ্বজুড়ে শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। নিরাপত্তার এমন চরম অবনতি এবং শান্তিরক্ষীদের লক্ষ্য করে হামলার পর জাতিসংঘ ওই এলাকা থেকে তাদের লজিস্টিক বেস বা রসদ সরবরাহ কেন্দ্র সরিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সুদানের এই সংঘাতের মূলে রয়েছে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনীর ক্ষমতার লড়াই, যা এখন আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে। পর্যাপ্ত খাদ্য, চিকিৎসা ও আশ্রয়ের অভাবে কুর্দোফানের বাস্তুচ্যুত মানুষগুলো বর্তমানে মানবেতর জীবন যাপন করছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বারবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি দেখা যাচ্ছে না, বরং শান্তিরক্ষীদের প্রস্থান এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।