জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট ও সংসদের উভয় কক্ষে পিআরসহ পাঁচ দফা দাবিতে জামায়াতসহ আট রাজনৈতিক দলের চলমান আন্দোলন নতুন দিকে মোড় নিয়েছে। সরকার গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে করার সিদ্ধান্ত জানালেও দলগুলো এখন গণভোটে রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী জনমত তৈরিতে জোর দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো আট দলের শীর্ষ নেতারা ঢাকার বাইরে যৌথভাবে কর্মসূচি পালন করতে যাচ্ছেন।
গত সেপ্টেম্বর থেকে ছয়টি ইসলামি দলসহ মোট আটটি রাজনৈতিক দল পাঁচ দফা দাবি সামনে রেখে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। তবে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য এবং জুলাই সনদের রাষ্ট্রপতির নির্দেশনায় সরকার জানায়—গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। এতে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে জামায়াতসহ সংশ্লিষ্ট দলগুলো। তাদের দাবি, গণভোট যখনই হোক, রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে জনগণের সায় নিশ্চিত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।
হ্যাঁ ভোটের পক্ষে জনমত গঠনে ৩০ নভেম্বর থেকে সাত বিভাগীয় শহরে সাত দিনব্যাপী সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে আট দল। এই কর্মসূচিতে প্রথমবারের মতো আট দলের শীর্ষ নেতারা একই মঞ্চে অবস্থান করবেন। দলগুলোর নেতারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের ‘চেতনা’ বাস্তবায়নে জনগণের অংশগ্রহণই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, বিভাগীয় পর্যায়ের সমাবেশগুলোতে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এবং ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে হ্যাঁ ভোটকে জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হবে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমাদ বলেন, নির্বাচনের দিন হোক বা আলাদা দিনে—গণভোট হবেই; তাই সংস্কারের পক্ষে ভোট নিশ্চিত করতে তারা ক্যাম্পেইন চালাবেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব ইউনুস জানান, হ্যাঁ ভোটের সুফল এবং না ভোটের সম্ভাব্য ক্ষতি বোঝাতে বিভাগীয় সমাবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নেতারা আশা প্রকাশ করেন, শেষ পর্যন্ত সরকার জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজনের বিষয়ে ইতিবাচক উদ্যোগ নেবে।
গণভোট ঘিরে নতুন কৌশলে জামায়াতসহ আট দল: নির্বাচনের আগে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে বৃহৎ প্রচারণা
- আপলোড সময় : ২৭-১১-২০২৫ ১১:০৭:২৩ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৭-১১-২০২৫ ১১:০৭:২৩ পূর্বাহ্ন
ছবি সংগৃহীত
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট