রোববার (২ নভেম্বর) দলীয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, জামায়াতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে আমির নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।
জামায়াতের অভ্যন্তরীণ গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সারাদেশের রুকনরা (সদস্য) গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেন। এ বছর ৯ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় এবং গণনা শেষে ১ নভেম্বর রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে ডা. শফিকুর রহমান পরবর্তী তিন বছরের জন্য দলটির আমির নির্বাচিত হন।
গঠনতন্ত্র অনুসারে, জাতীয় কাউন্সিলের সদস্যরা সরাসরি গোপন ভোটে তিন বছরের জন্য আমির নির্বাচন করেন। নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে শপথ নেন।
১৯৫৮ সালের ৩১ অক্টোবর মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার ভাটেরা ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন ডা. শফিকুর রহমান। পিতা মরহুম মোহাম্মদ আবরু মিয়া এবং মাতা মরহুমা খাতিরুন নেছা। শিক্ষা জীবনে তিনি ১৯৭৪ সালে বরমচাল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ১৯৭৬ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। পরে ১৯৮৩ সালে সিলেট মেডিকেল কলেজ (বর্তমান এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ) থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন।
ছাত্রজীবনেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। ১৯৭৩ সালে জাসদ ছাত্রলীগে যোগ দেন, পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে ইসলামী ছাত্রশিবিরে সম্পৃক্ত হন এবং সংগঠনটির সিলেট মেডিকেল কলেজ ও শহর শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৮৪ সালে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়ে সিলেট শহর, জেলা ও মহানগর আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালে তিনি দলটির সেক্রেটারি জেনারেল নির্বাচিত হন এবং ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর প্রথমবারের মতো জামায়াতের আমির হন। ২০২২ সালের ৩১ অক্টোবর দ্বিতীয়বার এবং এবার তৃতীয়বারের মতো তিনি এই দায়িত্বে নির্বাচিত হলেন।
ডেস্ক রিপোর্ট