কাঠবাদামে থাকা রাইবোফ্লাভিন ও এল–কারনিটিন মস্তিষ্কের কোষকে সক্রিয় রাখে, স্মৃতিশক্তি উন্নত করে এবং আলঝেইমারের ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন সকালে ৪–৬টি ভেজানো কাঠবাদাম খেলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে এবং মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।
হার্টের জন্যও কাঠবাদাম অত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা প্রোটিন, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হৃদপিণ্ডের পেশি শক্ত রাখে, রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। বিশেষ করে ভিটামিন ই রক্তনালিতে জমে থাকা ফ্যাট অপসারণে সহায়তা করে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও কাঠবাদাম কার্যকর ভূমিকা রাখে। এটি ইনসুলিনের মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায় না। একইসঙ্গে, গবেষণায় দেখা গেছে, কাঠবাদাম কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে এবং অন্ত্রের সুরক্ষায় সহায়ক।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কাঠবাদামও উপকারী। এতে থাকা ফসফরাস ও সোডিয়াম রক্তচাপের ওঠানামা নিয়ন্ত্রণ করে শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখে।
যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য কাঠবাদাম হতে পারে আদর্শ স্ন্যাকস। এটি ক্ষুধা কমিয়ে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ রোধ করে, বিপাকক্রিয়া ত্বরান্বিত করে এবং শরীরে অপ্রয়োজনীয় ক্যালরি জমতে বাধা দেয়।
এছাড়া কাঠবাদাম খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়াতে সহায়তা করে। এতে থাকা মনো–স্যাচুরেটেড ও ওমেগা–৬ ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তনালির স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ট্রান্স ফ্যাট না থাকায় হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
ডেস্ক রিপোর্ট