গাজায় চলমান ইসরাইলি হামলা বন্ধে তুরস্ক ও জার্মানিকে যৌথভাবে কার্যকর ভূমিকা নিতে আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। তিনি বলেন, দুই দেশ যদি সমন্বিতভাবে উদ্যোগ নেয়, তবে এই যুদ্ধের অবসান ঘটানো সম্ভব। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) আঙ্কারায় জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মের্ৎসের সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এরদোয়ান এই মন্তব্য করেন।
এরদোয়ান ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলার কড়া সমালোচনা করে বলেন, “গাজায় হামাসের কাছে কোনো ভারী অস্ত্র নেই, কিন্তু ইসরাইলের কাছে আছে—এবং তারা সেটি ব্যবহার করছে। জার্মানি কি এই বাস্তবতা দেখছে না?” তিনি আরও বলেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিকভাবে প্রভাবশালী দেশ হিসেবে তুরস্ক ও জার্মানি যদি একসঙ্গে কাজ করে, তাহলে গাজার মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।
তুর্কি প্রেসিডেন্ট আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলোকেও দ্রুত সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “জার্মান রেডক্রস এবং তুরস্কের রেড ক্রিসেন্টকে এখনই গাজায় সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করতে হবে, যাতে গণহত্যা ও মানবিক সংকট আরও না বাড়ে।”
এর আগে, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ইসরাইল নতুন করে গাজায় ব্যাপক হামলা চালায়। এতে শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪৬ জন শিশু।
এই প্রেক্ষাপটে, আন্তর্জাতিক মহল ক্রমবর্ধমানভাবে গাজার মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে, আর তুরস্কের আহ্বান সেই বৈশ্বিক কূটনৈতিক চাপকে আরও জোরদার করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
ডেস্ক রিপোর্ট