রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, হামাসের সশস্ত্র সদস্যরা একটি অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ও গুলিবর্ষণ করে দুই ইসরায়েলি সৈন্যকে হত্যা করে। এর পরপরই ইসরায়েলি বাহিনী গাজাজুড়ে হামাসের টানেল, অস্ত্রাগার ও কমান্ড সেন্টারে বিমান হামলা চালায়।
আল-জাওয়াইদা শহরে হামাসের অভিজাত শাখা আল-কাসেম ব্রিগেডের অন্তত ছয় সদস্য নিহত হন। নিহতদের মধ্যে সংগঠনটির জাবালিয়া ব্যাটালিয়নের কমান্ডার ইয়াহিয়া আল-মাবহুহ রয়েছেন।
ইসরায়েলি এক নিরাপত্তা সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক চাপে সোমবার থেকে গাজায় মানবিক সহায়তা পুনরায় পাঠানো শুরু হবে। এর আগে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ইসরায়েল সব রসদ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছিল।
অন্যদিকে, হামাসের সামরিক শাখা জানিয়েছে তারা যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ এবং রাফাহ অঞ্চলে সংঘর্ষ সম্পর্কে অবগত নয়।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, হামাসের প্রায় ৪০টি সেল এখনো সক্রিয়, যাদের অনেকেই নিরস্ত্র হয়নি। তার মতে, “কিছু সেল হয়তো যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে, কিন্তু অনেকেই তা করবে না।” ভ্যান্স আরও বলেন, হামাসকে নিরস্ত্র করতে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোকেই সরাসরি ভূমিকা নিতে হবে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, হামাসের হামলার জবাবে সেনাবাহিনীকে ‘দৃঢ় প্রতিক্রিয়া’ জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট