গাজার দেইর আল-বালাহ শহরে যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের মুখে ফিরছে খানিকটা স্বস্তি। জাতিসংঘের সহায়তায় চালু হওয়া একটি বেকারি এখন প্রতিদিন তৈরি করছে প্রায় তিন লাখ রুটি— যা স্থানীয় ক্ষুধার্ত জনগণের জন্য আশার আলো হয়ে উঠেছে।
ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত বেকারিটিতে দিনরাত চলছে রুটি তৈরির কাজ। শ্রমিকরা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, আর বাইরে দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করছেন ক্ষুধার্ত গাজাবাসী। জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণ দফতর প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে, বেকারিটিতে গরম রুটির ঘ্রাণে ভরে উঠছে আশপাশের এলাকা।
মানবিক সহায়তা প্রধান টম ফ্লেচার পরিদর্শন শেষে বলেন, যদি যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হয়, তবে গাজায় দ্রুত পুনর্গঠন ও খাদ্য উৎপাদন জোরদার করা সম্ভব হবে। জাতিসংঘের লক্ষ্য, দেইর আল-বালাহর আদলে আরও ৩০টি বেকারি চালু করা— যাতে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় সহায়তা পাওয়া যায়।
তবে উত্তর গাজার পরিস্থিতি এখনও সংকটাপন্ন। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, বন্ধ রুট ও অব্যাহত অবরোধের কারণে সেখানকার ত্রাণ সরবরাহ কার্যত বন্ধ। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পরও প্রতিদিন গড়ে মাত্র ৫৬০ মেট্রিক টন খাদ্য গাজায় প্রবেশ করছে, যা প্রকৃত চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল।
ফ্লেচার বলেন, “গাজা সিটিতে দুর্ভিক্ষ রোধে প্রতি সপ্তাহে হাজারো ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের প্রয়োজন।” তার মতে, দেইর আল-বালাহর এই বেকারিটি এখন এক প্রতীক— ধ্বংসস্তূপের শহরে জীবনের পুনরুত্থান ও আশার নতুন অধ্যায়।
গাজায় জাতিসংঘের বেকারিতে প্রতিদিন তিন লাখ রুটি, ফিরছে আশার আলো
- আপলোড সময় : ১৯-১০-২০২৫ ০৫:০৬:০২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৯-১০-২০২৫ ০৫:০৭:০৫ অপরাহ্ন
ছবি সংগৃহীত
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট