তুরস্কের এই সিদ্ধান্তকে অঞ্চলীয় নিরাপত্তা ও ভূরাজনীতির পরিপেক্ষিতে বড় ধরণের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আঙ্কারার বক্তব্য — তারা নিজের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাইছে এবং যে সংগঠনগুলোকে নিরাপত্তাহুমকি বলে মনে করে, সেগুলোকে লক্ষ্য করবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে পাঠানো হবে বিভিন্ন দূরপরিষরে পরিচালিত ড্রোন, লাঞ্চারভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ও মোবাইল বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিট; তবে এসব সরঞ্জাম মূলত সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে মোতায়েন করা হবে যাতে দক্ষিণ-পশ্চিমে ইরানের মিত্র বা ইসরায়েলের সাথে সরাসরি সংঘর্ষ এড়ানো যায়।
ইতিহাসগতভাবে তুরস্ক-SDF/YPG সংঘাত ও যুক্তরাষ্ট্র-তুরস্ক মধ্যে সমন্বয়ের জটিলতা আছে — আমেরিকার সমর্থিত SDF-র সঙ্গে তুরস্কের অভিযোগ-ভিত্তিক বিরোধ নিয়মিত কূটনৈতিক চাপ ও সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি করে। সীমান্ত কার্যক্রমের পরিধি বাড়ালে লক্ষ্যবস্তুর ধরন ও অপারেশনাল কৌশল বদলাতে পারে; এতে গৃহশান্তি, মানবিক অব্যবস্থা ও বেসামরিক ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ার সম্ভাবনা থাকবে।
এছাড়া সরবরাহ-লজিস্টিকস, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি-রক্ষণাবেক্ষণ ও কমান্ড-কন্ট্রোল ইন্টিগ্রেশন—এসব বিষয় কার্যকরভাবে সমাধান না করলে বিতরণকৃত অস্ত্রের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা সীমিত হতে পারে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, তুরস্ক যদি জোরালোভাবে এগোয় তবে তা ন্যাটো মিত্র ও মার্কিন কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে তর্কাস্পদ পরিস্থিতি গড়াতে পারে, বিশেষত যেখানে SDF–র সাথে যুক্ত সামরিক মনোযোগ ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা সমর্থিত।
ডেস্ক রিপোর্ট