৪৫তম বিসিএসে গেজেট বঞ্চিতদের পুনরায় যাচাই শুরু, সিদ্ধান্ত চলতি মাসে
চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়া ১ হাজার ৮০৭ জনের মধ্যে গেজেটে স্থান পাননি ১০৫ জন। তাঁদের নিয়োগের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে সরকার।
- আপলোড সময় : ০৬-১১-২০২৬ ১১:০৩:৩২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৬-১১-২০২৬ ১১:০৩:৩২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৮ বার পঠিত
ছবি—সংগৃহীত
৪৫তম বিসিএসে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়া ১ হাজার ৮০৭ জন প্রার্থীর মধ্যে গেজেটে স্থান পেয়েছেন ১ হাজার ৭০২ জন। ফলে সব ধাপে সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও ১০৫ জন প্রার্থী চূড়ান্ত নিয়োগের প্রজ্ঞাপন থেকে বাদ পড়েছেন। তাঁদের নিয়োগের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে সরকার। এ বিষয়ে পুনরায় যাচাই কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং চলতি মাসে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বাদ পড়া ১০৫ জন প্রার্থীর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও কারণ জানিয়েছে। এর মধ্যে ৪৯ জন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আইনি নথি নির্ধারিত সময়ে জমা দেননি। অন্যদিকে, প্রয়োজনীয় সব নথি সঠিক থাকা সত্ত্বেও পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কারণে বাকি ৫৬ জন নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এসব প্রার্থীর বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে আবেদন করেন ৩ লাখ ৪৬ হাজার প্রার্থী। ২০২৩ সালের ১৯ মে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ৬ জুন প্রকাশিত ফলাফলে উত্তীর্ণ হন ১২ হাজার ৭৮৯ জন।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২০২৫ সালের জুলাইয়ে শুরু হয় মৌখিক পরীক্ষা। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর পিএসসি ১ হাজার ৮০৭ জনকে বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করে।
চূড়ান্ত সুপারিশের প্রায় ১১ মাস পর ২০২৬ সালের ১৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১ হাজার ৭০২ জনের নিয়োগের গেজেট প্রকাশ করে। তিনটি ভিন্ন সরকারের রাজনৈতিক পর্ব অতিক্রম করে প্রায় চার বছর পর সম্পন্ন হয় ৪৫তম বিসিএসের নিয়োগপ্রক্রিয়া। তবে সুপারিশ পাওয়ার পরও বাদ পড়া ১০৫ প্রার্থীর নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এখন তাঁদের পুনরায় যাচাই শেষে সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।