শিশুর সামনে দীর্ঘ সময় মোবাইল ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা উচিত
শিশুরা বড়দের আচরণ অনুকরণ করে। তাই তাদের সামনে দীর্ঘ সময় মোবাইল ব্যবহার করলে তা শিশুর অভ্যাস ও আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে।
- আপলোড সময় : ২২-০৯-২০২৬ ১০:০০:২১ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২২-০৯-২০২৬ ১০:০০:২১ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১১৯ বার পঠিত
প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। কাজ, যোগাযোগ, তথ্য সংগ্রহের জন্য অনেকেই দিনের বড় একটি সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। শিশুদের সামনে দীর্ঘ সময় মোবাইল ব্যবহারের বিষয়টি অভিভাবকদের গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
শিশুরা স্বভাবতই অনুকরণপ্রিয়। তারা বড়দের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে এবং ধীরে ধীরে সেই আচরণ নিজের জীবনে অনুসরণ করার চেষ্টা করে। ফলে যদি কোনো শিশু নিয়মিত দেখে যে তার বাবা-মা বা পরিবারের সদস্যরা বেশিরভাগ সময় মোবাইল ফোনে ব্যস্ত, তাহলে তার মধ্যেও একই ধরনের অভ্যাস গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
শিশুদের সঙ্গে কথা বলা, খেলাধুলা করা, বই পড়া কিংবা একসঙ্গে সময় কাটানো তাদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা যদি অধিকাংশ সময় মোবাইলের দিকে মনোযোগ দেন, তাহলে শিশুর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সময়সীমা কমে যেতে পারে। এতে শিশু নিজেকে উপেক্ষিত মনে করার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
অভিভাবকরা চাইলে কিছু সহজ পদক্ষেপ নিতে পারেন। যেমন—খাবার টেবিলে মোবাইল ব্যবহার না করা, পরিবারের নির্দিষ্ট সময়কে ‘স্ক্রিনমুক্ত সময়’ হিসেবে রাখা বা শিশুর সঙ্গে সময় কাটানোর সময় ফোন দূরে রাখা। এসব ছোট উদ্যোগ শিশুর জন্য ইতিবাচক উদাহরণ তৈরি করতে পারে।
প্রযুক্তি ব্যবহার আধুনিক জীবনের অংশ হলেও এর ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহার আরও গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর সামনে সচেতনভাবে মোবাইল ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুললে তারা বাস্তব জীবনের যোগাযোগ, খেলাধুলা ও পারিবারিক সম্পর্কের গুরুত্ব সম্পর্কে ছোটবেলা থেকেই ইতিবাচক ধারণা পেতে পারে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।