ওই ঘটনায় ‘দ্য শিপ ব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইক্লিং রুলস-২০১১’ অনুযায়ী ইয়ার্ড মালিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাহাজের ব্যালস্ট ট্যাংক ছিদ্র করার সময় শ্রমিকরা গ্যাস মাস্ক বা স্বয়ংসম্পূর্ণ শ্বাসযন্ত্র (এসসিবিএ) ব্যবহার করেননি। ঝুঁকিপূর্ণ কাজটি চলছিল সাপ্তাহিক ছুটির দিনে; ওই সময় ঘটনাস্থলে সেফটি ম্যানেজার, অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক বা জরুরি উদ্ধারকারী দলও উপস্থিত ছিল না।
গত ১৪ অগাস্ট সীতাকুণ্ডের ওই ইয়ার্ডে ‘এমটি রাসি’ নামের একটি স্ক্র্যাপ জাহাজের ব্যালস্ট ট্যাংক ছিদ্র করার সময় বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S) গ্যাস নির্গত হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এতে ঘটনাস্থলেই ৯ জন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে অক্সিজেন সরবরাহের গাড়ির একজন হেলপারও (বহিরাগত) ছিলেন।
এ ঘটনার পর শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজীকে আহ্বায়ক করে ১১ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সরেজমিন পরিদর্শন, সাক্ষ্যগ্রহণ ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ শেষে সম্প্রতি কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।
সোমবার দুপুরে শিল্প মন্ত্রণালয়ে ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ফেরদৌস স্টিলের ওই ঘটনায় কারও গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলা থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।