আর মার্কিন কোম্পানি পরিচালিত এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে পাওয়া যাচ্ছিল মাত্র ১৮০ মিলিয়ন ঘনফুট। এলএনজিবাহী কার্গো যথাসময়ে না আসায় ওই টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়। দুটি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যোগ হচ্ছে। এলএনজি এবং গ্যাস ক্ষেত্র থেকে পাওয়া গ্যাস মিলিয়ে দেশে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ২৩৩৬.৬ মিলিয়ন ঘনফুট। দেশে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে স্বাভাবিক সময়ে সরবরাহ পাওয়া যায় ২৬০০-২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট।
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল দুটির সরবরাহ ক্ষমতা ১০৫০ থেকে ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে গত প্রায় দেড় মাস ধরে এলএনজি সংকটের কারণে সরবরাহ কমে গেছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে গ্যাস সরবরাহ ৭০০-৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে স্থির রয়েছে। সিডিউল অনুযায়ী আমদানি করা এলএনজিবাহী জাহাজ না আসায় টার্মিনাল দুটি থেকে পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না।
এতে দেশে চলমান গ্যাস সংকট কাটছে না। এলএনজিবাহী একটি আসার পর দেশীয় সামিট পাওয়ার লিমিটেডের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে। অন্যদিকে পরবর্তী জাহাজ আসতে দেরি হওয়ায় মার্কিন কোম্পানির এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের উৎপাদন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে করে দুটি টার্মিনালের সক্ষমতার পুরোটা কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
এলএনজি আমদানির দায়িত্বপ্রাপ্ত রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানান, পরবর্তী এলএনজিবাহী জাহাজ আগামী ১ থেকে ২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আসার সিডিউল রয়েছে। তবে সর্বশেষ তথ্য জাহাজটি ২ সেপ্টেম্বর টার্মিনালে ভিড়তে পারে। সে পর্যন্ত এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ সীমিত থাকবে।