কাঁঠাল খাওয়ার পর অনেকেই এর বীজ ফেলে দেন। তবে পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই বীজ নানা উপায়ে খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাঁঠালের বীজ দিয়ে ভর্তা, তরকারি, ভাজি এবং অন্যান্য খাবার তৈরি করা হয়ে থাকে।
পুষ্টিগুণে ভরপুর
কাঁঠালের বীজে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট, খাদ্যআঁশ, কিছু পরিমাণ প্রোটিন এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান। সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে এটি গ্রহণ করা যেতে পারে।
ভর্তা হিসেবে জনপ্রিয়
সেদ্ধ করা কাঁঠালের বীজ খোসা ছাড়িয়ে মরিচ, পেঁয়াজ ও অন্যান্য উপকরণের সঙ্গে মিশিয়ে সুস্বাদু ভর্তা তৈরি করা যায়।
তরকারিতেও ব্যবহার হয়
মাছ, মাংস বা বিভিন্ন সবজির সঙ্গে কাঁঠালের বীজ রান্না করা হয়। এতে খাবারের স্বাদ ও বৈচিত্র্য বাড়ে।
ভেজে খাওয়ার সুযোগ
অনেকে কাঁঠালের বীজ সেদ্ধ বা ভেজে হালকা নাস্তা হিসেবেও খেয়ে থাকেন। ভাজা বীজের স্বাদ অনেকের কাছে বেশ পছন্দের।
সংরক্ষণও করা যায়
কাঁঠালের মৌসুমে সংগ্রহ করা বীজ শুকিয়ে কিছুদিন সংরক্ষণ করা সম্ভব। পরে প্রয়োজন অনুযায়ী রান্নায় ব্যবহার করা যায়।
কাঁঠালের বীজ শুধু খাদ্য অপচয় কমাতেই সাহায্য করে না, বরং পুষ্টিকর খাবারের একটি উৎস হিসেবেও ভূমিকা রাখতে পারে। তাই কাঁঠাল খাওয়ার পর বীজ ফেলে না দিয়ে বিভিন্ন উপায়ে খাদ্যতালিকায় যুক্ত করা যেতে পারে।