প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের প্রাপ্য অবসর ও কল্যাণসুবিধার অর্থ পেতে যেন কোনো ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে যথাসময়ে ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে। সোমবার বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত জাতীয় ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন শিক্ষক কর্মজীবনে থাকুন কিংবা অবসর জীবন কাটান, মহান পেশার কারণে রাষ্ট্রের কাছে তিনি আমৃত্যু সম্মানীয়। তাই শিক্ষকদের বেতন ও অবসরভাতাসহ প্রাপ্য অর্থ পাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের যেন অফিসে গিয়ে হয়রানি বা কষ্ট করতে না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
দেশের হাজার হাজার শিক্ষক ও কর্মচারী অবসরের পর মাসের পর মাস এমনকি বছরের পর বছর তাদের প্রাপ্য অবসর ও কল্যাণসুবিধার অর্থের জন্য অপেক্ষা করেন। অনেকেই জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করেও এসব সুবিধার অর্থ হাতে পান না। এ নিয়ে শিক্ষকসমাজের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে হতাশা ও ক্ষোভ রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষকরা জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান শক্তি। শিক্ষকদের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের পেশাগত উন্নয়ন এবং মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যায়ের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত শিক্ষকদের জাতীয় পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ দেওয়া হয়। বক্তব্যের শেষে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শিক্ষককে বিনম্র শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষকদের মর্যাদা, অধিকার, পেশাগত উন্নয়ন এবং মানসম্মত শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়।