শুক্রবার (১৫ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আইসিইউতে শয্যা না পাওয়া এবং পরবর্তীতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের ওপর হামলা চালায়।
এ সময় চিকিৎসকের কক্ষে হামলার চেষ্টা, দরজায় আঘাত এবং অনারারি মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মোশাররফ হোসেন ও একজন ওয়ার্ড বয়কে টেনে-হিঁচড়ে মেঝেতে ফেলে মারধরের ঘটনা ঘটে।
নেতৃবৃন্দ মনে করে, একজন রোগীর মৃত্যু স্বজনদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। কিন্তু কোনো পরিস্থিতিতেই চিকিৎসক, নার্স বা স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা ও হাসপাতালের সম্পদ ভাঙচুর গ্রহণযোগ্য নয়। চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করা যেতে পারে; আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের সকল হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম।