ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
ইসলামকে ‘অন্য সব ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ’ বলায় মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী ইরানের পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে যুদ্ধের শঙ্কা আদানির বিদ্যুৎ কমায় দেশজুড়ে লোডশেডিং তীব্র মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ৭০০ মিলিয়নে স্থির শাহজালাল বিমানবন্দরে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ছাড়াই ৩০ কোটি টাকার পণ্য উধাও দেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনা উদ্বেগজনক: ৭ মাসে জিডি প্রায় ১৬ হাজার ২০২৮ সালে বড় সংস্কার, ২০২৭ থেকেই নতুন শিক্ষাক্রম তিব্বতে ভূমিধসে নতুন হ্রদ, ঝুঁকিতে গিরিওং বন্দর সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, বাগমারায় নানা অভিযোগ ফিরোজের নেপালে হিমবাহ ধসের বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৬৩৩, তিব্বতে নিহত ৭ কক্সবাজারে বারে সংঘর্ষে যুবক নিহত, অভিযুক্তেরও মৃত্যু নেপালে সহায়তায় ৩১ মিলিয়ন ডলার চাইলো রেড ক্রস সৌদি আরবে অবৈধভাবে কাজ করলে ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা ও কারাদণ্ড তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর ও ঢাকা-দিল্লি কূটনৈতিক সমীকরণ নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৯, নতুন ঝুঁকি নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে বাংলাদেশিদের হতাহতের খবর নেই সরকারি বাড়ি বিক্রির ১৫ মামলায় মির্জা আব্বাস খালাস ভুটানের রাজাকে ঢাকায় রাষ্ট্রপতির অভ্যর্থনা ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক লালমনিরহাট সীমান্তে কৃষকদের ধস্তাধস্তির মুখে অস্ত্র ফেলে পালাল বিএসএফ

রাঙ্গাবালীর চালিতাবুনিয়ায় ভয়াবহ নদীভাঙন: মানচিত্র থেকে হারানোর শঙ্কায়

কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায় উপকূলীয় জনপদ: আশ্বাসেই সীমাবদ্ধ প্রশাসন
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৮-০৭-২০২৬ ০৩:১১:৪২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-০৭-২০২৬ ০৩:১৪:১০ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৯৯ বার পঠিত
রাঙ্গাবালীর চালিতাবুনিয়ায় ভয়াবহ নদীভাঙন: মানচিত্র থেকে হারানোর শঙ্কায় ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নে তেঁতুলিয়া নদী ও রাবনাবাদ চ্যানেল সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে এ এলাকায় নদীভাঙন চললেও স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অনেক পরিবার একবার নয়, দুই-তিনবার এমনকি পাঁচবার পর্যন্ত নিজেদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও সহায়-সম্বল হারিয়েছে।

বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি, গাছপালা ও মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। বছরের পর বছর ধরে চলা এই ভাঙনে শত শত পরিবার চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। প্রতিবার নতুন করে ঘর নির্মাণ করলেও নদীভাঙনের আতঙ্ক তাদের পিছু ছাড়ে না। বর্ষা মৌসুম ও জোয়ারের সময় নির্ঘুম রাত কাটাতে হয় নদীপাড়ের বাসিন্দাদের। ইতোমধ্যে অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে অন্য এলাকায় চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।

ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে এর আগে স্থানীয়রা ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনও করেছেন। তবে দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

চালিতাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বিপ্লব হাওলাদার বলেন, বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) জানানো হয়েছে। দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

এ বিষয়ে কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কয়েকটি অংশ ইতোমধ্যে পরিদর্শন করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে বাকি এলাকাগুলোও পরিদর্শন করা হবে। কোথায় ব্লক, ভেড়িবাঁধ বা স্লুইস গেট প্রয়োজন সে বিষয়ে ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু আশ্বাস নয়, এখন প্রয়োজন দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ। তা না হলে নদীগর্ভে হারিয়ে যাবে আরও অসংখ্য বসতভিটা, ফসলি জমি এবং মানুষের শেষ সম্বল। তাদের আশঙ্কা, স্থায়ী সমাধান না এলে ভবিষ্যতে মানচিত্র থেকেই হারিয়ে যেতে পারে নদীপাড়ের এই জনপদ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।