ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ , ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ৩৫৩ জন আটক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুপারিশ তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে প্রস্তাব ৪ বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্য বৈঠক শেষ আজ, আলোচনায় শুল্ক ও বাণিজ্য ঘাটতি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়া শুরু বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ এশিয়ার বাজারগুলোতে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি অবসরভাতা পেতে শিক্ষকদের ভোগান্তি বন্ধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক পাকিস্তান ও ভারতীয়দের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: WHO যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী কেন সম্ভাব্য মার্কিন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা? অক্টোবরে বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পেতে পারেন সরকারি চাকরিজীবীরা রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান মিয়ানমারেই হতে হবে: তারেক রহমান

রাঙ্গাবালীর চালিতাবুনিয়ায় ভয়াবহ নদীভাঙন: মানচিত্র থেকে হারানোর শঙ্কায়

কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায় উপকূলীয় জনপদ: আশ্বাসেই সীমাবদ্ধ প্রশাসন

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৮-০৭-২০২৬ ০৩:১১:৪২ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৮-০৭-২০২৬ ০৩:১৪:১০ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ১১৯ বার পঠিত
রাঙ্গাবালীর চালিতাবুনিয়ায় ভয়াবহ নদীভাঙন: মানচিত্র থেকে হারানোর শঙ্কায় ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নে তেঁতুলিয়া নদী ও রাবনাবাদ চ্যানেল সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে এ এলাকায় নদীভাঙন চললেও স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অনেক পরিবার একবার নয়, দুই-তিনবার এমনকি পাঁচবার পর্যন্ত নিজেদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও সহায়-সম্বল হারিয়েছে।

বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি, গাছপালা ও মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। বছরের পর বছর ধরে চলা এই ভাঙনে শত শত পরিবার চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। প্রতিবার নতুন করে ঘর নির্মাণ করলেও নদীভাঙনের আতঙ্ক তাদের পিছু ছাড়ে না। বর্ষা মৌসুম ও জোয়ারের সময় নির্ঘুম রাত কাটাতে হয় নদীপাড়ের বাসিন্দাদের। ইতোমধ্যে অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে অন্য এলাকায় চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।

ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে এর আগে স্থানীয়রা ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনও করেছেন। তবে দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

চালিতাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বিপ্লব হাওলাদার বলেন, বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) জানানো হয়েছে। দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

এ বিষয়ে কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কয়েকটি অংশ ইতোমধ্যে পরিদর্শন করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে বাকি এলাকাগুলোও পরিদর্শন করা হবে। কোথায় ব্লক, ভেড়িবাঁধ বা স্লুইস গেট প্রয়োজন সে বিষয়ে ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু আশ্বাস নয়, এখন প্রয়োজন দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ। তা না হলে নদীগর্ভে হারিয়ে যাবে আরও অসংখ্য বসতভিটা, ফসলি জমি এবং মানুষের শেষ সম্বল। তাদের আশঙ্কা, স্থায়ী সমাধান না এলে ভবিষ্যতে মানচিত্র থেকেই হারিয়ে যেতে পারে নদীপাড়ের এই জনপদ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।