কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ২০ শয্যার ওয়ার্ডে ৭৫ শিশু, হামের প্রাদুর্ভাবে চাপ বাড়ছে
- আপলোড সময় : ০৫-০৫-২০২৬ ১১:৪৪:২৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৫-০৫-২০২৬ ১১:৪৪:২৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৮৮ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
কক্সবাজার সদর হাসপাতালে হামের প্রাদুর্ভাবের কারণে শিশু রোগীর চাপ ব্যাপকভাবে বেড়েছে। ২০ শয্যার বিশেষ ‘হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে’ মঙ্গলবার (৫ মে) পর্যন্ত ৭৫ শিশু ভর্তি রয়েছে, যা হাসপাতালের ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সীমিত শয্যার কারণে একটি বেডে দুই থেকে চারজন শিশুকে একসঙ্গে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওয়ার্ডে প্রবেশে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তত্ত্বাবধায়কের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো ছবি বা ভিডিও ধারণ করা যাবে না এবং বিস্তারিত তথ্য দিতেও তারা অনাগ্রহ প্রকাশ করেন।
কক্সবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, একই দিনে জেলার সাতটি হাসপাতালে মোট ১৪১ শিশু ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে চকরিয়ায় ১০ জন, পেকুয়ায় ছয়জন, উখিয়ায় ১৮ জন, টেকনাফে ১১ জন, রামুতে ছয়জন এবং মহেশখালীতে ১৫ জন শিশু চিকিৎসাধীন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬০ শিশু উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৬৬ জন। তবে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকেও। গত ২৯ মার্চ থেকে এক মাস সাত দিনে জেলায় এক রোহিঙ্গাসহ মোট ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রামুতে ছয়জন, কক্সবাজার সদরে দুইজন এবং পৌরসভা, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও উখিয়ায় একজন করে শিশু মারা গেছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ের মধ্যে জেলায় ১ হাজার ৪৫৯ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে ৩৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলে ১১৯ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কার্যক্রম জোরদার এবং দ্রুত শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা নিশ্চিত না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।