ভোলাহাটে পূর্ববিরোধের জেরে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট
বড়ইগাছী এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ফয়সাল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, পুলিশের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু
- আপলোড সময় : ৩১-১০-২০২৬ ১০:২৫:০৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩১-১০-২০২৬ ১০:২৫:০৮ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩০ বার পঠিত
ছবি: প্রতিনিধি ।ভোলাহাটে বাড়ীতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে হত্যার চেষ্টায় গুরুতর আহত যুবক ওসমান সানি ওরফে ফয়সাল! হাসপাতালে ভর্তির মূহুর্তের দৃশ্যসহ বাড়ীতে হামলায় ভাঙচুরের ছবি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে পূর্ববিরোধের জেরে একটি বাড়িতে সংঘবদ্ধ হামলা, ভাঙচুর, মারধর, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক যুবককে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগও করা হয়েছে। আহত যুবককে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড়ইগাছী এলাকার বাসিন্দা মো. সানাউল্লাহ (৫৫) তাঁর লিখিত অভিযোগে প্রতিবেশী কয়েকজনসহ ৮-৯ জনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাড়ির পাশের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তদের সঙ্গে অভিযোগকারীর পরিবারের বিরোধের সূত্রপাত হয়। এর জেরে গত ৩০ অক্টোবর শুক্রবার সকাল আনু: ৯টা ১০ মিনিটের দিকে অভিযুক্তরা লোহার রড, লোহার সাবল, ধারালো হাসুয়া ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে তাঁর বাড়ির সামনে আসে। এ সময় পরিবারের লোকজন ভয়ে বাড়ির প্রধান দরজা বন্ধ করে দিলে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক দরজা ভেঙে বাড়িতে প্রবেশ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, হামলাকারীরা বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। একপর্যায়ে অভিযোগকারী সানাউল্লাহ্ ছেলেকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বাধা দিতে গেলে পরিবারের সদস্যদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে অভিযোগকারীর ছেলে গুরুতর আহত হন। অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় আঘাত করার চেষ্টা করা হলে তিনি দ্রুত মাথা সরিয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
এ সময় হামলাকারীরা বাড়ির আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র ভাঙচুর করে এবং পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। অভিযোগে ঘরের শোকেসের ড্রয়ারে রাখা নগদ ৮০ হাজার টাকা এবং প্রায় ৩ ভরি স্বর্ণালংকার, যার আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা, লুট করে নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত যুবক ফয়সালকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অভিযোগকারী মোঃ সানাউল্লাহ্ এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ভোলাহাট থানার পুলিশের কাছে আবেদন করেছেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে মোঃ এত্তাজ আলীর বক্তব্য জানতে তাঁর ব্যবহৃত ০১৭৩০৯৬৩৯৮৭ নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে ভোলাহাট থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল বারিক এ প্রতিবেদককে বলেন, ঘটনাটির ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।