চবিতে দেড় দশকের নির্যাতনের চিত্র নিয়ে ‘নির্যাতনের দাগ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত শাসনামলে সংঘটিত নির্যাতন ও শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনা নিয়ে চাকসুর উদ্যোগে প্রকাশিত হলো সংকলন গ্রন্থ
- আপলোড সময় : ৩১-১০-২০২৬ ১০:০১:৩১ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩১-১০-২০২৬ ১০:০১:৩১ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৯ বার পঠিত
ছবি: প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দেড় দশকে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সংঘটিত নির্যাতন, সশস্ত্র হামলা ও শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনাগুলো নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে ‘নির্যাতনের দাগ’ শীর্ষক বই। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা বিভাগের উদ্যোগে প্রকাশিত বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।
বইটিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের নির্যাতন ও হামলায় নিহত পাঁচ শিক্ষার্থীর ঘটনা ও স্মৃতিচারণ স্থান পেয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী এবং ভিন্নমতের রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে।
বইটিতে মোট ১৮ জন লেখকের লেখা সংকলিত হয়েছে। এতে ২৬ জন শিক্ষার্থীর ওপর সংঘটিত নির্যাতনের ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে নিহত সাতজন শিক্ষার্থীর ঘটনা ও স্মৃতিচারণও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন চাকসুর সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক হারেস মাতাব্বর।
বইটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে হারেস মাতাব্বর জানান, নির্যাতনের ঘটনাগুলো প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার পাশাপাশি নির্যাতনের শিকার হয়ে আহত সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিজেদের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। এর মাধ্যমে ক্যাম্পাসে সংঘটিত নির্যাতনের ঘটনাগুলো সংরক্ষণ এবং সেগুলোকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বই প্রকাশের উদ্দেশ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে যেন আর কোনো ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি না ঘটে এবং ভিন্নমত বা ভিন্ন রাজনৈতিক আদর্শের কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে যেন নির্যাতনের শিকার হতে না হয়, সেটিই তাঁদের প্রত্যাশা। বিগত শাসনামলে নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করারও দাবি জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা যে স্বপ্ন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন, তাঁদের যেন স্বাভাবিক ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সেই স্বপ্নের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার সুযোগ থাকে। এ জন্য ক্যাম্পাসে সহিংসতামুক্ত ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বইটি প্রকাশের পেছনে অবদান রাখায় সম্পাদকীয় উপদেষ্টা, সহযোগী সম্পাদক এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন চাকসুর সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক হারেস মাতাব্বর।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।