সুদানে ড্রোন হামলায় নিহত শান্তিরক্ষী জাহাঙ্গীর আলমের মরদেহ দাফন সম্পন্ন
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ২১-১২-২০২৫ ০৮:০২:০৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২১-১২-২০২৫ ০৮:০৩:০৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৬ বার পঠিত
ছবি-সংগৃহীত
সুদানের আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত অবস্থায় সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত বাংলাদেশি সেনাসদস্য মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। রবিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার তারাকান্দি গ্রামে নিজ বাড়ির সামনে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে শায়িত করা হয়। এর আগে ঢাকা থেকে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ হেলিকপ্টারযোগে তার মরদেহ নিজ এলাকায় আনা হলে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৪
গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে অতর্কিত ড্রোন হামলা চালায় স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। ওই ভয়াবহ হামলায় সেখানে দায়িত্বরত ৬ জন বাংলাদেশি সেনাসদস্য নিহত হন, যাদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম অন্যতম। ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে মেস ওয়েটার পদে যোগদান করা এই সেনাসদস্য রংপুর ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত ছিলেন। কর্মজীবনে অত্যন্ত দক্ষ ও নিষ্ঠাবান হিসেবে পরিচিত জাহাঙ্গীর চলতি বছরের ৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিতে সুদানে গমন করেছিলেন।
রবিবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারটি পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করলে মরদেহ গ্রহণ করেন সেনা কর্মকর্তারা। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি তারাকান্দিতে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রিয়জনের নিথর দেহ ফিরে আসায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম শুরু হয়। জাহাঙ্গীর আলম স্থানীয় হযরত আলীর সন্তান এবং তার তিন বছর বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।
জানাজা অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, জনপ্রতিনিধি এবং কয়েক হাজার সাধারণ মানুষ অংশ নেন। উপস্থিত সকলে দেশের জন্য এবং বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাহাঙ্গীরের এই সর্বোচ্চ ত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাকে যথাযথ সামরিক সম্মান প্রদর্শন করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।