দাফন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিকেল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহবাগ এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়। তবে সন্ধ্যার পর শাহবাগ ও টিএসসি এলাকা থেকে ব্যারিকেড প্রত্যাহার করে নিয়েছে পুলিশ। কবরস্থানের সামনের নিরাপত্তা বেষ্টনীও কিছুটা শিথিল করা হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ বাইরে থেকে দোয়া করতে পারেন। তবুও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং পবিত্রতা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গেট ও প্রবেশপথে এখনো সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
নিরাপত্তা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রাতের বেলা কবরস্থানের ভেতরে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। সাধারণ মানুষ কেবল বাইরের ফটক থেকে দোয়া ও মোনাজাত করতে পারছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে পুরো এলাকাটিতে সারা রাত পুলিশি টহল ও প্রহরা অব্যাহত থাকবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামীকালও এই এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা হতে পারে বলে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, আজ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শরিফ ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। লাখো মানুষের সেই বিশাল জানাজায় ইমামতি করেন হাদির বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। জুলাই অভ্যুত্থানের এই সম্মুখ সেনানীকে চিরনিদ্রায় শায়িত করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের এক শোকাতুর অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। তবে তার কবরে সাধারণ মানুষের এই নিরন্তর আসা-যাওয়া প্রমাণ করে যে, তিনি কেবল এক সংগঠন বা মঞ্চের মুখপাত্র ছিলেন না, বরং হয়ে উঠেছেন এক জাতীয় আবেগের নাম।
ডেস্ক রিপোর্ট