ড. এম সাখাওয়াত হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আমরা যখন ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট আসি, তখন তো আমাদের কেউ ম্যান্ডেট দেয়নি যে এক, দেড় বা দুই বছরের মাথায় নির্বাচন দিতে হবে। কেউ বলেনি যে নির্বাচন করতে হবে এত তারিখের মধ্যে।” তিনি উল্লেখ করেন যে, সরকার নিজেরাই ঘোষণা করেছে যে দেশে নির্বাচন হবে। এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে যদি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তৎপরতা বা দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে যায়, তাতে সরকারের হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই।
শ্রম উপদেষ্টা দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, সরকার মনে করে দেশে একটি নির্বাচন হওয়া উচিত এবং নির্বাচিত সরকার আসা উচিত, যাতে বৈশ্বিক গণতান্ত্রিক চর্চাটা প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি আক্ষেপ করেন যে, গত ১৭ থেকে ১৮ বছরে এমন চর্চা দেখা যায়নি। তিনি মন্তব্য করেন, যদি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এই গণতান্ত্রিক চর্চা প্রতিষ্ঠা করতে পারে, সেটাই হবে তাদের "বড় ক্রেডিট"।
দীর্ঘ সময় নির্বাচন কমিশনে কাজ করার (সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছিলেন তিনি) অভিজ্ঞতা থাকার কারণে সাংবাদিকেরা যখন আবারও জানতে চান, দেশে নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না, জবাবে সাখাওয়াত হোসেন তাৎক্ষণিক মন্তব্য এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, "আমি ভুলে গেছি। নির্বাচন নিয়ে আমার কাছে বলার মতো কিছু নেই। আমি নির্বাচন নিয়ে অজ্ঞ। কোনো আইডিয়া নেই। এটা নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে।"
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাঁর ব্যক্তিগত সন্তুষ্টির বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, এখন যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তাতে রাজনৈতিক দলগুলো জানে না যে তাদের ভবিষ্যৎ কী বা তারা কী করবে। তবে, তিনি রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার (ক্যাওয়াজ) সংজ্ঞা নির্ধারণ করে বলেন, বিশৃঙ্খলা তখন বলা যেত, যখন সরকার একদিকে আর রাজনৈতিক দলগুলো অন্যদিকে অবস্থান করত।
ডেস্ক রিপোর্ট