সিলেট বিভাগ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ১৫ মাসে র্যাব-৯ বিপুল পরিমাণ দেশি ও বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরক পদার্থ উদ্ধার করেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) র্যাবের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের পর ৫ আগস্ট থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত নিয়মিত অভিযানে র্যাব-৯ মোট ২৫টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০০ রাউন্ড গুলি, ৪টি ম্যাগাজিন, ৩,৩৫৫ গ্রাম বিস্ফোরক, ১৮টি ডেটোনেটর, ৭টি এয়ারগান এবং বিপুল পরিমাণ এয়ারগানের গুলি জব্দ করেছে।
চলতি মাসের শুরু থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, ১টি শটগান, ৮টি এয়ারগান, ৭ রাউন্ড গুলি, ১,১২৫টি সিসা পেলেট ও ১টি সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে।
বিশেষভাবে ২০-২৬ নভেম্বরের মধ্যে বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা এলাকায় পৃথক অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ১২ বোর শটগান, ১টি সাউন্ড গ্রেনেড, ৬টি দেশি-বিদেশি এয়ারগান এবং ৭২০ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি। এসব অভিযানে সিলেট জেলায় কাউকে আটক করা না গেলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজনকে আটক করা হয়েছে।
অভিযানগুলোতে বিভিন্ন স্থানের ঝোপঝাড়, কাঠবাগান এবং পরিত্যক্ত ঘর থেকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য অভিযানগুলো হলো:
> ২০ নভেম্বর: বিয়ানীবাজার জলডোপ কালিবহর এলাকা – ১২ বোর শটগান
> ২২ নভেম্বর: গোলাপগঞ্জ রণকেলি নুরুপাড়া – ২টি এয়ারগান ও ৬০ রাউন্ড গুলি
> ২৪ নভেম্বর: বিয়ানীবাজার আলীনগর – ১টি এয়ারগান; ছোটদেশ – ২টি এয়ারগান ও ১২৫ রাউন্ড গুলি
> ২৫ নভেম্বর: দক্ষিণ সুরমা মোল্লারগাঁও খিদিরপুর – ১টি সাউন্ড গ্রেনেড
> ২৬ নভেম্বর: কুড়ারবাজার – ৫৩৫ রাউন্ড গুলি ও ১টি এয়ারগান
কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ সংবাদে বলেন, “উদ্ধার হওয়া সব আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান চলমান রয়েছে এবং লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার অব্যাহত থাকবে।”
ডেস্ক রিপোর্ট