অধ্যাপক মেহেদী আহমেদের ভাষ্য, একই স্থানে বারবার ভূকম্পন হলে বড় ধরনের কম্পনের সম্ভাবনা তৈরি হয়। তিনি বলেন, পরিস্থিতি বুঝতে আগামী চার থেকে পাঁচ দিন বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। সেই সময়েই বোঝা যাবে ঝুঁকির মাত্রা কোনদিকে যাচ্ছে।
গত শুক্রবার সকালে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নরসিংদীর মাধবদী কেন্দ্র করে কম্পন অনুভূত হয়, যাতে দুই শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু ঘটে। এর পর শনিবার সকালে ৩.৩ মাত্রার আরেকটি কম্পন নরসিংদীর পলাশ এলাকা থেকে অনুভূত হয়। একই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটে আরও একবার ভূকম্পন হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এটির উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার বাড্ডায়, মাত্রা ৩.৭। তবে ইউএসজিএস মাত্রা ৪.৩ বলে জানিয়েছে, যার উৎস নরসিংদী থেকে ১১ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
বুয়েটের অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ বলেন, গত দুই দিনে সংঘটিত তিনটি ভূকম্পনের সবকটির উৎস নরসিংদী অঞ্চল। একই স্থানে পুনঃপুন কম্পন বড় ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বাড়ায়—এমন আশঙ্কাই তুলে ধরছেন তিনি।
ডেস্ক রিপোর্ট