সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান জানান, নওগাঁ সদরের অফিসপাড়া এলাকাভিত্তিক এ এনজিওটি প্রতি এক লাখ টাকার বিপরীতে দুই হাজার টাকা লভ্যাংশ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিত। শুরুতে কিছু গ্রাহককে মুনাফা দিয়ে বিশ্বাস স্থাপন করলেও পরে ব্যাপক প্রচারণায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীসহ শত শত মানুষকে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করা হয়। এক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের টাকা ফেরত না দিয়ে সময়ক্ষেপণ শুরু করে।
মামলার এক বাদীর অভিযোগ অনুযায়ী, তার ব্যক্তিগত আমানত ছিল ২০ লাখ টাকা, আর মোট গ্রাহকের আমানত প্রায় ১৫০ কোটি টাকা। তবে সিআইডির প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ৮০০-র বেশি গ্রাহক প্রায় ৬০০ কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
২০২৪ সালের আগস্ট থেকে প্রতিষ্ঠানটির লেনদেনে অসচ্ছতা ধরা পড়ে। গ্রাহকরা টাকা না পেয়ে তনুর কাছে গেলে তিনি সময় নেন। নভেম্বরে ভুক্তভোগীরা পুনরায় টাকা চাইলে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জানায়, কোনো অর্থ ফেরত দেওয়া হবে না। এরপর নওগাঁ সদর থানায় মামলা হয় এবং সিআইডি এখন পর্যন্ত তনুসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার আর্থিক প্রবাহ, লেনদেন ও জড়িতদের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত চলছে।
ডেস্ক রিপোর্ট