রংপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বয়ে যাওয়া তিস্তা নদী এখন আর আগের সেই খরস্রোতা নয়। নদীর বুকে মাইলের পর মাইল বালুচর সৃষ্টি হয়েছে, যা ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের কারণে শুকনো মৌসুমে নাব্যহীন হয়ে পড়ে। বর্ষায় দু’কূল ভেসে গেলেও নদীর জলে চলাচলের সক্ষমতা নেই।
স্থানীয়রা বহু বছর ধরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। ২১ বছর পার হলেও প্রকল্পের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি, যার ফলে রংপুর অঞ্চলে হতাশা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন নেতার আশ্বাসের বর্ণিল কথায় বারবার প্রতারিত হয়েছেন তারা।
এবার ভোটের দিকে তাকিয়ে স্থানীয়রা আরও সচেতন ও ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন। তাই প্রার্থীরা গণসংযোগ ও প্রচারণায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং রংপুরের সার্বিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি শীর্ষে রাখছেন।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, উত্তরের ভোটযজ্ঞকে সত্যিকারের উৎসবমুখর করতে হলে প্রার্থীদের স্পষ্ট রোডম্যাপ এবং বাস্তবায়নযোগ্য উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রয়োজন। এতে ভোটারদের আস্থা অর্জন সম্ভব।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রংপুর ঐতিহ্যগতভাবে জাতীয় পার্টির ঘাঁটি। যদিও দলটি বর্তমানে কিছুটা অস্থিতিশীল, তবু তাদের কাছে এখনও নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোটার রয়েছে। অন্য দলের প্রার্থীদের জন্য এই ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করা বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
রংপুরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা দাবিতে ভোটারদের হতাশা ও রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির চাপ
- আপলোড সময় : ১৬-১১-২০২৫ ০৯:৫৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৬-১১-২০২৫ ০৯:৫৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
ছবি সংগৃহীত
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট