জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম জানান, কোম্পানীগঞ্জ ও সিলেট সদর উপজেলায় এখনও কিছু ব্যক্তি পাথর লুকিয়ে রেখেছেন। শনিবার এসব এলাকার জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক সভায় তিনটি মূল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রধান সিদ্ধান্ত হলো, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে যাদের কাছে এখনও সাদাপাথর রয়েছে, তারা তা নিজ খরচে সাদাপাথরে পৌঁছে দেবেন। জনপ্রতিনিধিরাও সরকারের অংশ হিসেবে এলাকার খোঁজখবর নিয়ে পাথর উদ্ধারে সক্রিয় ভূমিকা নেবেন। ইতিমধ্যেই দুই উপজেলায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে জনসাধারণকে এ বিষয়ে সচেতন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, “নির্ধারিত সময়ের পর যে কোনো স্থানে পাথর পাওয়া গেলে, সেখানে অভিযান চালিয়ে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পাথর লুটের মূল হোতাদেরও আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলবে।”