যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকুক বা না থাকুক, ইরানে একক সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত
যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সমর্থন থাকুক বা না থাকুক, প্রয়োজন হলে ইরানের বিরুদ্ধে এককভাবে পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত থাকার বার্তা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৬-০৮-২০২৬ ০১:২৬:২১ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৬-০৮-২০২৬ ০১:২৬:২১ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১১৯ বার পঠিত
ছবি: নেতানিয়াহু
তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা চললেও প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে একক সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে ইসরায়েল। এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩
স্থানীয় সময় বুধবার নেতানিয়াহু বলেন, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার আহমেদ ওয়াহিদির বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি এগিয়ে নিতে চায়। তিনি বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি নিশ্চিত করতে চান, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।
যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যা প্রয়োজন, তা করতেই তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এদিকে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা এখন অগ্রসর পর্যায়ে রয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, উভয় পক্ষ ইতোমধ্যে খসড়া প্রস্তাব বিনিময় করেছে এবং কূটনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই সংঘাতে তিন হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। পাল্টা জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সরঞ্জাম লক্ষ্য করে হামলার দাবি করে।
জুনে পাকিস্তানের পাশাপাশি কাতারও মধ্যস্থতায় যুক্ত হলে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। তবে হরমুজ প্রণালীর সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নৌ চলাচল নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ে।
পরে জুলাইয়ে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় উত্তেজনা আবারও বেড়ে যায়।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।