বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআই জানায়, সম্প্রতি এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) পরিচালিত একটি জরিপে সাতটি টুথপেস্টের নমুনার মধ্যে একটিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির তথ্য উঠে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটি নিজ উদ্যোগে বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টুথপেস্ট সংগ্রহ করে স্বতন্ত্র পরীক্ষাগারে পরীক্ষা শুরু করেছে।
বিএসটিআইর ভাষ্য অনুযায়ী, মাইক্রোপ্লাস্টিক হলো প্লাস্টিক বা অন্যান্য অজৈব পদার্থের অতিক্ষুদ্র কণা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই কণাকে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য উদীয়মান উদ্বেগের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে। এ কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর ব্যবহার সীমিত অথবা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সংস্থাটি আরও জানায়, বাংলাদেশে বিডিএস ১২১৬:২০১২ স্পেসিফিকেশন ফর টুথপেস্ট অনুযায়ী টুথপেস্টে ক্ষতিকর উপাদান, জীবাণু এবং বিষাক্ততার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। পরীক্ষায় কোনো টুথপেস্টে মাইক্রোবিডের উপস্থিতি নিশ্চিত হলে প্রচলিত আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোক্তাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএসটিআই বলেছে, টুথপেস্ট কেনার আগে উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স নম্বর যাচাই করা উচিত। পাশাপাশি অজানা বা অনুমোদনহীন ব্র্যান্ডের পণ্য ব্যবহার না করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া আমদানীকৃত টুথপেস্টের ক্ষেত্রেও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমদানি ও বাজারজাতকরণ কার্যক্রমে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
ডেস্ক রিপোর্ট